কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর ৩ কারাবন্দীর মৃত্যু*

 


নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার


কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিন কারাবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার পৃথক সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে দুজন হাজতি ও একজন কয়েদি

হাসপাতাল ও কারাকর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, প্রথমে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে মারা যান আবুল বাশার (৫৮)। এর ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর সকাল ৯টা ৫ মিনিটে মারা যান আব্দুল কাইয়ম (৬২)। আর কয়েদি মো. শাহাদত হোসেন লিটন (৫২) সকাল পৌনে নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সকালে কারারক্ষী মো. শহিদসহ কয়েকজন আবুল বাশারকে অসুস্থ অবস্থায় ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামে। বাবার নাম সেকেন্দার আলী। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় তিনি কচুয়া থানায় বন্দী ছিলেন।


একইভাবে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী হেমায়েত হোসেনসহ কয়েকজন সকালে আব্দুল কাইয়মকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলাই পদাবাজার গ্রামে। বাবার নাম মৃত দুদু মিয়া। তিনি আটটি মামলায় হাজতি ছিলেন।

এছাড়া কয়েদি শাহাদত হোসেন লিটনকে গত ২৮ আগস্ট অসুস্থ অবস্থায় ঢামেকের মেডিসিন বিভাগের ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল পৌনে নয়টায় তিনি মারা যান। তার বাড়ি খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামে। বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা ৯(১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধার মামলায় তিনি বন্দী ছিলেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, "তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।"

কারাগারে একদিনে তিন বন্দীর মৃত্যুর ঘটনায় কারাকর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

আমাদের সম্পর্কে

Freedom News BD

অনুসরণকারী