![]() |
| ছবি সংগ্রহীত |
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ ১০ টুকরো করার নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে লাইলী বেগম (৩৮) নামে এক ভাড়াটিয়া নারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
নিহত ফরিদা ইয়াসমিন দেবিদ্বার পৌর এলাকার ফতেহাবাদ গ্রামের মফিজ ভূঁইয়ার স্ত্রী। আটক লাইলী বেগম পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ছোট আলমপুর দক্ষিণপাড়া প্রজেক্ট এলাকায় মফিজ ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন লাইলী বেগম ও তার স্বামী। শুক্রবার রাতে কোনো একসময় লাইলী বেগম, তার স্বামী আবুল কালামসহ মোট পাঁচজন মিলে ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যা করে। পরে মরদেহ ১০ টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনের একটি গলিতে ফেলে রাখা হয়। শনিবার বিকেলে বিষয়টি জানাজানি হলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে লাইলী বেগমকে আটক করে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মরদেহের ১০টি টুকরোর মধ্যে ৯টি উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কাটা মাথাটি এখনও পাওয়া যায়নি।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী বেগম জানান, এই হত্যাকাণ্ডে তার স্বামী আবুল কালাম ছাড়াও রবিউল, সোহেল ও ইমন নামে আরও তিনজন সরাসরি জড়িত ছিলেন। পুলিশ বিষয়টির সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতা তদন্ত করে দেখছে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, “নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।”
