সীমান্তে অব্যাহত র/ক্ত/ক্ষরণ: কুলাউড়া সীমান্তে বি/এসএফে/র গু/লি/তে প্রা/ণ গেল ২০ বছরের তরুণ তারা মিয়ার

সীমান্তে অব্যাহত রক্তক্ষরণ: কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ গেল ২০ বছরের তরুণ তারা মিয়ার বিশেষ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আবারো ঝরে গেল এক তাজা প্রাণ। রোববার উপজেলার মুরইছড়া সীমান্তে বিএসএফের অতর্কিত গুলিবর্ষণে তারা মিয়া (২০) নামের এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। একের পর এক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় স্থানীয় সীমান্তবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুরইছড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালিক ওরফে তালুকদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ছোঁড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। খবর পেয়ে বিজিবি ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় টহল জোরদার করেছে। কোথায় গিয়ে থামবে এই সীমান্ত হত্যা? সীমান্তে 'শূণ্য হত্যা' নীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বিষয়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে বারবার দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে সীমান্তরেখা। প্রতিনিয়ত বিএসএফের এমন আগ্রাসী আচরণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে—এই অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তের হোলিখেলার শেষ কোথায়? সীমান্তের বাসিন্দারা দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অপরাধী বিএসএফ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সীমান্তে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড স্থায়ীভাবে বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

আমার সম্পর্কে

Freedom News BD